তরুণ তোরা এত হতাশ হও কেন?



ওরাতো  অন্তত  জাত -ভাইয়ের হাতে মরেনি। সেনাবাহিনীর ক্রস  ফায়ারের হত্যাকান্ড তো বলছে শাসকগোষ্ঠী পাহাড়ে ব্যর্থ। শাসকগোষ্ঠী কাঁটা পলিসি,  দাঁড়িপাল্লা পলিসি এবং চামচ পলিসি ব্যর্থ। তাই তারা পাগল হয়ে ক্রস ফায়ারের  পলিসির অবলম্বন করেছে।  পাহাড়ে তাদের সব পলিসি ব্যার্থ। হতাশ হওয়ার উচিত শাসকগোষ্ঠীর। কিন্তু তোরা হতাশ হও কেন?

ইতিহাসেতো লেখা আছে চাকমা -মারমারা রাজ যোদ্দ্বা বাহিনীর বংশধর এবং তাদের মূল পরিচয়টা রাজ যোদ্দ্বা বাহিনী থেকে যাদের রক্ত আমরা বহন করছি। আমাদের রক্ত ও বলছে যুদ্ব করা আমাদের বৈশিষ্ট্য।  তাহলে তোরা এত হতাশ হও কেন?

যুদ্ব করে দেখিয়ে দিয়েছি আমরা কতোটা ভয়ঙ্কর হতে পারি। জেলা পরিষদ, উন্নয়ন বোর্ড,  আঞ্চলিক পরিষদ এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়  এবং হাজার হাজার মানুষের চাকরী লড়াইয়ের ফসল।অথচ কয়েক কোটি হিন্দু এক লাফে ভারতে।  তাহলে তোরা হতাশ হও কেন?

আমরা এখন শিক্ষায় অনেক এগিয়ে। সারা বিশ্বে জুম্মরা ছড়িয়ে পড়েছে। স্লোগানে স্লোগানে এক সঙ্গে মুখরিত হয় নিউ ইয়র্ক, ক্যালিফর্নিয়া,  সিডনি, সিউল, টোকিও, প্যারিস, লন্ডন এবং টরন্টো। তাহলে তোরা এতো হতাশ হও কেন?

শেষ হলে ৩০ বৎসর আগে শেষ হয়ে যেতাম যখন বিশ্ব আমাদের জানতোনা এবং ইন্টারনেটের মতো নেটওয়ার্কের প্রযুক্তি আমাদের জানা ছিলোনা।  কিন্তু আমরা শেষ হয়ে যায়নি। তাহলে তোরা হতাশ হও কেন?

যে জাতির পায়ের  ছাপ নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘের প্রধান সদর দপ্তরে, আমেরিকার স্টেট ডিপার্টমেন্টে, জেনেভায়  জাতিসংঘের মানবাধিকারের সদর দপ্তরে পড়েছে সে জাতি ধ্বংস হয়ে  যেতে পারেনা। তাহলে তোরা এতো হতাশ হও কেন?

চল্লিশ দশকের স্নেহ কুমার চাকমা,  সত্তোর দশকের এম এন লারমা - সন্তু লারমা  -.চাবাই মগ আর নব্বই দশকের প্রসীত - সঞ্চয় - কেস মং  মারমারা শিখিয়ে দিয়েছেন কিভাবে সংগ্রাম ও বিপ্লব করতে হয়।  তাহলে তোরা এতো হতাশ হও কেন?
মনে করবেন না যে আমি শান্তনা দিচ্ছি। যা সত্য তাই বললাম। পসিটিভ হওয়ার চেষ্টা করুন। হতাশা শুধু মানুষকে ডুবাই।  হতাশা সমাধান দেয়না বরং সমস্যা সৃষ্টি করে। শুধু বলবো সময় কথা বলবে।

No comments

Powered by Blogger.