চক্ষু ক্যান্সার আক্রান্ত সুপ্রিয় চাকমার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।




লিখব নাকি লিখব না এই নিয়ে ভাবছি!! 
কারণ, ইদানিং সোশ্যাল মিডিয়াতে কত রোগীর কত পোষ্ট, কত রোগীর আর্তনাথের মানবিক সাহায্যে যা মনকে ভাবিয়ে তুলে। আসলে লিখলে কি গুরুত্ব পাবে? সাহায্যে কি করবে? নাকি বিরক্তবোধ করবে? 

আসলে কি আর করা....... অসহায় এক দুঃখনী মায়ের করুণ আর্তনাথ, আকুতি-মিনতি শুনে লিখতে বসলাম। আপনারা ইতিমধ্যে অবগত আছেন চক্ষু ক্যান্সার রোগে আক্রান্ত সুপ্রিয় চাকমার করুণ পরিণতি। আজ সুপ্রিয় ও তার মায়ের সাথে সরাসরি কথা বলে দুঃখের কাহিনী শুনে চোখে জল এসে গেল। মনে২ ভাবলাম যদি আমার সামর্থ্য থাকত তাহলে অপরের নিকটে হাত জোর করে সাহায্যর জন্য আবেদন না করে নিজেই চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করতাম কিন্তু আমি তো অসমর্থ।
তবে হ্যাঁ আমরা জানি, 
"ছোট ছোট বালু কনা বিন্দু বিন্দু জল, 
গড়ে তুলে মহাদেশ সাগর অতল"

ইদানিং, সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে ফেসবুক অন করলে দেখি হাজারো লোকের করুণ আর্তনাথের সাহায্যের আহব্বান। মানবিক সাহায্যের জন্য অসংখ্য রোগাগ্রস্থ ব্যক্তি করুণ আর্তনাথের চিৎকার ধ্বনি। যা মনকে ব্যকুল ও হতবিক্ষত করে দেয়। কিন্তু অনেকের মনে বিরক্তভাবও তো জাগ্রত হতে পারে। এত এত মানবিক পোষ্ট, এত লোকের চিকিৎসার সেবা, এত জনকে সাহায্যে... এদের কি খেয়ে কাজ নাই নাকি???
আসলে প্রিয় পাঠকবৃন্দ বিষয়টি তা নয়, মানুষ যখনি অপরের আশ্রয় খুজে যখনি সে অসহায় ও নিরুপায় হয়। সমুদ্রে ডুবন্ত মানুষ যেমন দেহের  শেষ নিঃস্বাসটুকু পর্যন্ত আপ্রাণ সংগ্রাম করে সাতার কাটার প্রয়াস করে কেননা সে মরতে চাই না, সুন্দর ধরণীতে বাচঁতে চাই নয় কি?

সুপ্রিয় চাকমাও সেরকম একজন রোগী নিতান্ত নিরুপায় ও অসহায়  হয়ে বাঁচার জন্য গণ মানুষের কাছে  মানবিক সাহায্যের জন্য শরনাপন্ন হয়েছেন।একদিকে রোগের যন্ত্রনা অন্যদিকে অর্থাভাব।তিলে তিলে তাকে বিষময় করে তুলেছে রোগটি।না পারছে চিকিৎসা করতে না পারছে সুস্থ জীবন যাপন করতে কি নিদারুণ কষ্টই তাকে ভোগ করতে হচ্ছে।এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে জীবনের গতি কোন একদিন..........................।

পারিবারিক সূত্রে জানা যাই, সে গত দু’বছর ধরে চক্ষু রোগ ক্যান্সারে আক্রান্ত। তাহার জন্মের তিন মাস আগে তাহার পিতা মারা যান। অসহায় এক হতদরিদ্র কৃষক পরিবারের বিধবা মায়ের সন্তান।
নামঃ সুপ্রিয় চাকমা (১৯)
পিতাঃ মৃত অরবিন্দু চাকমা  মাতাঃ নির্মল সোনা চাকমা, গ্রামঃ কদর খাইয়া,, 
উপজেলা, জুরাছড়ি  
জেলাঃ রাঙ্গামাটি।

বর্তমানে  ডাঃ আলী আজগর চৌধুরীর চিকিৎসাধীন আছেন(ক্যান্সার রোগ বিশেযজ্ঞ)। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন দেড় মাসের মধ্যে ইন্ডিয়া গিয়ে অপারেশন করাতে হবে। বর্তমানে ২১ দিন পর পর ১টি করে ডোজ নিতে হচ্ছে যার একটি ডোজের মূল্য ১৫ হাজার টাকা। সর্বমোট ৫টি ডোজ নিতে হবে। ৩টি ডোজ নেয়া শেষ বাকী ২টি ডোজের পর উন্নত চিকিৎসার জন্য ইন্ডিয়া নেয়া হবে। ডাক্তার জানিয়েছে তাহার চিকিৎসার জন্য ৫/৬ লক্ষ টাকার প্রয়োজন কিন্তু এত টাকা পাবে কোথায়??
বিধবা অসহায় দরিদ্র পিতৃহীন সুপ্রিয় চাকমা ছেলেটি??

হে প্রিয় পাঠকবৃন্দ, আমার লেখনী একটু দীর্ঘ হয়ে গেল তাই আর না লিখে আমি বলব,,আমাদের বিশ্বাস, আমরা যদি প্রকৃত মানুষের মতো কাজ করি তাহলে সুপ্রিয় চাকমাকে ফিরিয়ে দিতে পারি একটি সুন্দর স্বপ্নময় ভবিষ্যত। তার পরিবারের সবার মুখে ফুটাতে পারি নির্মল হাসি। সর্বোপরি হাসবে এই
সুন্দর পৃথিবী, জয় হবে মানবতার। সবেমাত্র তার জীবন শুরু এই বয়সে অকালে ঝরে পড়ুক এটি কারোর কাম্য নয়। তাই আপনাদের সকলের আশীর্বাদ ও সহযোগীতায় ফিরে পেতে পারে তার স্বাভাবিক জীবন। সুপ্রিয়  চাকমাকে বাঁচাতে তাই দেশের এবং প্রবাসের সকল মানবতাবাদী বন্ধু ও হৃদয়বান মানুষের কাছে আমাদের প্রাণ প্রিয় সমাজসেবী সংগঠণ মানবিক কল্যাণ সংঘ( মাকস্) পক্ষ থেকে এই আকুল আবেদন।

যদি আপনি মানবিক হয়ে সুপ্রিয়া চাকমার উন্নত সুচিকিৎসার জন্য সাহায্য করেন তাহলে আমরা চিরকৃতজ্ঞ হব।
বিকাশ করতে পারেন নিচের নাম্বার গুলিতে-
--------------------------------------------
প্রিয়দর্শী চাকমা - ০১৭১৬৪০৫৫৭৬
বিপন চাকমা - ০১৮৬৯১০২২৭২
প্রজ্ঞাপাল ভিক্ষু - ০১৮৭০৮১৩১৫৮

(পারসোনাল বিকাশ নাস্বার)
#রকেটেও পাঠাতে পারেনঃ
০১৮৭৪২৪৭৪৭৯৫(রকেট)।

★বিকাশ করার আগে অবশ্যই ফোন করার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ করা হলো★
যদি সরাসরি রোগী সুপ্রিয় চাকমা ও তার মায়ের সাথে কথা বলতে চান তাহলে কল করুন।
নিচে নাম্বার দেয়া হল।
সুপ্রিয় মা :-০১৬৩৮৩০৪৬২২
সুপ্রিয় চাকমা :- ০১৫৩৫০৯৫০৯৪।

[[বিদ্রঃ- অনুগ্রহ পূর্বক পোষ্টি শেয়ার করুন।
নিজেও উৎসাহিত হোন এবং অপরকেও উৎসাহিত করুন]]

সংগ্রহীত পোষ্ট

No comments

Powered by Blogger.